1. [email protected] : editor :
  2. [email protected] : foysal parveg : foysal parveg
  3. [email protected] : shakil007 :
ঈদে মাগুরার আশেপাশে ঘোরাঘুরির কয়েকটি জায়গা - মাগুরার খবর
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

ঈদে মাগুরার আশেপাশে ঘোরাঘুরির কয়েকটি জায়গা

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
মাগুরার খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

খোলা আকাশের নিচে মুক্ত বাতাস খেতে হলেও প্রয়োজন সুন্দর জায়গা। তাই ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে ঘুরতে যাওয়ার বিকল্প নেই। কিন্তু কোথায় যাওয়া যায় তা নিয়ে ভাবনায় পড়ে যান মাগুরাতে এসে অনেকে।

ঈদে মাগুরা জেলায় ঘুরাঘুরির জায়গা বলতে শুধু শহরাঞ্চল মনে হতে পারে।  অথচ কয়েকটি ঘুরাঘুরি জায়গা থাকলেও অনেকের স্পষ্ট ধারনা না থাকার ফলে এই সময়ে থাকে পুরোপুরি ফাঁকা অবস্থায় ।

নিজস্ব গাড়ি কিংবা ইজিবাইক ভাড়া করে কোন রকম ঝক্কি ঝামেলা ছাড়াই প্রিয়জন, বন্ধু-বান্ধব, পরিবার নিয়ে  ছাড়া ঘুরতে যাওয়ার এটাই জুতসই সময়। ছুটি শেষের দিকে অনেকের। আজ ঈদের পরের দিন। আজই ঘুরাঘূরির উপযুক্ত সময়।

নবগঙ্গার উপরে শেখ কামাল সেতুর উপরে গতকাল শতশত মানুষ  আড্ডায় মেতেছিল। এটি শুধূ মাত্র মাগুরায় বিনোদন কেন্দ্রের অভাবের কারনে। মাগুরা ও এর আশেপাশে রয়েছে অনেকের কয়েকটি পরিচিত জায়গা আছে । এগুলোতে অনায়াসে পরিবার-পরিজন নিয়ে উপভোগ করা যায় দারুণ সময়। বিনোদণের জন্য কোন পার্ক  না থাকলেও  আছে সবুজ ঘাসের চাদর আবার কোথাও আছে অজস্র জলধারা। তাই কোথায় সময় কাটাবেন বেছে নিন। করোনা পরিস্থিতিতে অনেকটা নিরাপদের সাথে আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।

মাগুরা সদর উপজেলায় সিরিজদিয়ার বাওড়

মাগুরা সদর উপজেলার তত্ববধানে সিরিজদিয়া বাওড় ভিউ রিসোর্ট ও ইকোপার্কের কাজ চলছে । কাজটি শেষ হলে এটি হতে পারে মাগুরার জেলার মধ্যে সময় কাটানোর ভাল একটি বিনোদন কেন্দ্র। তবে এখন সেখানে যেতে পারেন সময় কাটাতে । খোলা আকাশের মাঝে হারিয়ে যেতে কিংবা বিশাল জলরাশির মধ্যে আকাশের হেলে পড়ার  দেখতে ভালই লাগবে।  আর যদি বর্ষার রিমঝিম বৃষ্টি দেখা পেযে যান তো আরো আনন্দ পাবেন নিঃসন্দেহে।

মাগুরার খবরে নিউজ

সিরিজদিয়ার বাওড়ে এই বর্ষায় মনমুগ্ধকর মেঘ রোদের খেলা দেখতে পাওয়া যায়। বিশাল জলরাশিতে সময় কাটুক আনন্দে। ছবি-সংগৃহীত

কিভাবে যাওয়া যায়:

মাগুরা জেলা সদর থেকে পাল্লা যেতে বাসষ্ট্যান্ড বাঁধবে। বটতলার মোড় ও বলা হয়। এটি ঢাকা রোডের পশ্চিমে। সেখানে অটো পাবেন। রিজার্ভ করে যেতে পারেন। ৩০ মিনিটি লাগবে যেতে। মাগুরা – নড়াইল সড়ক দিয়ে যেতেও ভাল লাগবে।  মাগুরা সদর থেকে সিরিজদিয়া বাওড়ে পর্যন্ত পুরোটাই পাকা রাস্তা। তাই বৃষ্টিতে সমস্যা হবে না। ব্যক্তিগত গাড়িতে গেলে নির্দেশনা পথে দোকানপাটে শুনে নিলে তারাই আপনাকে কাঙ্খিত ভ্রমণ জায়গা গুলোতে পৌঁছে দিবে।

মহম্মদপুর উপজেলার কয়েকটি জায়গায় ঘুরাঘুরি

সিতারাম রায়ের রাজধানী । মাগুরা জেলা শহর হতে প্রায় ২৬ কিমি পুবে  মধুমতি নদী জড়িয়ে  অবস্থিত মহম্মদপুর উপজেলা। মহম্মদপুর উপজেলা শহর এলাকায় ছিল রাজা সীতারামের রাজধানী ও বাসস্থান। এটা বৃহত্তর যশোরের একটি গৌরবের স্থান। অবশ্য ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত বোয়ালমারি উপজেলা শহর থেকেও এই স্থানে যাওয়া যায়। বোয়ালমারী বাজার হতে এই স্থান ৬/৭ মাইল পশ্চিমে। সাহিত্য সম্রাট বঙ্গিম চন্দ্রের ‘‘সিতারাম’’ নামক উপন্যাসের সহিত শিক্ষিত বাঙ্গালি মাত্রেই পরিচিত। এই মহম্মদপুরে রাজা সিতারাম রায়ের রাজধানী ছিল।

ঘুরে আসতে পারেন এতদিন যাবেন বলে আর যাওয়া হয়নি যাদের। এছাড়া যারা গেছেন তারা ও ঘুরে আসতে পারেন কারন সাম্প্রতিক মাগুরা থেকে মহম্মদপুর সড়ক ব্যবস্থা খুব ভাল করা হয়েছে। সেই ভাঙাচোরা কিংবা সরু সড়ক এখন আর চোখে পড়বে না। যেতে যেতে আনন্দেই পাবেন।

শেখ হাসিনা সেতু । মহম্মদপুর উপজেলা মাগুরার সবথেকে বৃহৎসেতু শেখ হাসিনা সেতুটি। এটি মধুমতি নদীর উপরে অবস্থিত। এখন বর্ষায় মধুমিত নদীতে প্রবল স্রোত। এই সেতুর উপরে সময় কাটাতে পারেন সহজেই। খোলা আকাশের মাঝে বিশাল নদীর উপরে সেতুটিতে দাড়ালে মনে হবে শূন্যতায় আছি। যেতে পারেন। এটি মহম্মদপুর শহরের পূর্বে ১ কিমি দূরত্বে।

সেই দেখে আসতে পারেন সিতারাম রায়ের আমলে রামসাড়রকে। যেখানে এখন সমুদ্রের মত জলরাশি ছাড়া কিছু দেখতে পাবেন না। এটি মহম্মদপুর শহরে বাজার এলাকা দিয়ে সরকারি ডাকবাঙলার দিকে। লোকমুখে শুনলে দেখিয়ে দিবে।

মাগুরার খবর

১৬৫৮ খ্রীষ্টাব্দে সীতারামের জন্ম হয়। উদয়ন নারায়ন ক্রমে একটি ক্ষুদ্র তালুক ক্রয় করেন এবং মধুমতি নদীর অপর পারে হরিহর নগরে বাস করতেন । ঐতিহাসিক সিতারাম রাজার প্রাসাদ।

মাগুরা সদর হতে ২৬ কি.মি. দূরে মহম্মদপুর উপজেলায় রাজাবাড়ী নামক স্থানে রাজা সীতারাম রায়ের বাড়িটি অবস্থিত। মহম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড হতে আধা কিলোমিটার উত্তরে পাকা রাস্তার পার্শ্বে রাজবাড়ির অবস্থান। রিক্সা, ভ্যান অথবা পায়ে হেটে যাতায়াত করা যায়। মাগুরা থেকে বাস অথবা ব্যক্তিগত গাড়িতে সহজে যেতে পারবেন।

 

শ্রীপুরে কবি কাজী কাদের নেওয়াজ এর বাড়ি

বাংলাদেশের অন্যতম কবি কাজী কাদের নেওয়াজ এর বাড়ি শ্রীপুর উপজেলাধীন মুজদিয়া গ্রামে। কবির বাড়িটির অংশবিশেষ এখনো টিকে রয়েছে। দেখতে হলে মাগুরা সদর থেকে ১৩ কিমি উত্তর দিকে শ্রীপুর উপজেলায় যেতে হবে। শ্রীপুর বাসষ্ট্যান্ডে গেলে লোকমুখে পৌঁছে যেতে পারবেন কবির বাসভবনে। সেখানে একজন দেখাশোনার লোক থাকার কথা। তার থেকে জেনে নিতে পারেন বর্তমান অবস্থা।

মাগুরার খবর

কবি বাড়ি

শালিখা উপজেলায় ইকোপার্ক
মাগুরা জেলা সদর থেকে ১৪ কিমি দক্ষিনে শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজার। মূলত শালিখা উপজেলার সব প্রশাসনিক কাজ ও ভবন আড়পাড়া এলাকায়। মাগুরা-যশোর রোড ঘেষে এই এলাকা। রয়েছে পুটি মাছ খ্যাত ফটকি নদী। শালিখা শহর এলাকা থেকে মাত্র এক কিমি পশ্চিমে রয়েছে বেশ পানি তে ভরপুর খাল।
এই খালের একদিকে থেকে শুরু করা হয়েছিল ইকোপার্ক।
ইকোপার্কটি সম্পন্ন করা না গেলেও বসার মত জায়গা আছে । গাছপালা ঘেরা পাশে পুরান খাল,মাছ ধরা সময় ভাল কাটবে।

 

 

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব -২০১৯- ২০২০ মাগুরার খবর.    কারিগরি ব্যবস্থাপনায় - মাগুরা আইটি সল্যুশন 

কারিগরি সহায়তায়ঃ আইটি বাজার
error: মাগুরার খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত