1. [email protected] : editor :
  2. [email protected] : foysal parveg : foysal parveg
  3. [email protected] : shakil007 :
মাগুরার ফয়সালের গিনেস রেকর্ড ছিনতাই! - মাগুরার খবর
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

মাগুরার ফয়সালের গিনেস রেকর্ড ছিনতাই!

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
মাগুরার খবর গিনেস রেকর্ড মাহামুদুল
মাহামুদুল হাসান ফয়সাল

মাগুরার খবর ডটকম

মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুরের ছেলে ও মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র মাহামুদুল হাসান ফয়সাল (১৮)। যার দখলে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের চারটি স্বীকৃতি। তরুণ এই ফুটবল ফ্রি-স্টাইলারের সবশেষ রেকর্ড ‘মোস্ট ফুটবল (সকার বল) নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচেস ইন ওয়ান মিনিট’। এক মিনিটে ৬৬ বার ফুটবল ঘাড়ের ওপর নাচিয়ে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। রেকর্ডটির নাম লিখে গুগলে সার্স দিলে মাহামুদুল হাসান ফয়সালের নামটিই আসে। রেকর্ডটি তিনি করেন ২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর। যার স্বীকৃতি মেলে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে। তখন দেশের প্রভাবশালী জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনগুলো গুরুত্ব দিয়ে ফয়সালের এই অর্জনের খবর প্রকাশ করে।

এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। বিভ্রান্তি তৈরি হয় চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রচারিত হয় ‘মোস্ট ফুটবল নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচেস ইন ওয়ান মিনিট’ ক্যাটাগরিতে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন ঝালকাঠির আশিকুর রহমান জুবায়ের। গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে আশিকুর ‘নেক থ্রো অ্যান্ড ক্যাচেস’ ক্যাটাগরিতে মিনিটে ৬৫ বার বল নাচিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়েছেন। গত ৩০ জুলাই জুবায়েরের কাছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে একটি স্বীকৃতিপত্র এসে পৌঁছায়। স্বীকৃতিপত্র অনুযায়ী তিনি রেকর্ডটি গড়েন ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর।

বাম পাশের স্বীকৃতিটি মাহামুদুল হাসানের আর ডান পাশেরটা আশিকুর রহমান জুবায়েরের

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বড় ধরণের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। একই রেকর্ড দুজনের দখলে থাকে কিভাবে? এমন প্রশ্নে বিব্রত মাগুরার মাহামুদুল হাসান ফয়সাল। তিনি মাগুরার খবরকে বলেন, ‘রেকর্ডটি এখন আমারই দখলে। যে কেউ গুগলে সার্স দিলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু সাধারণ মানুষতো আর গুগলে এটা খোঁজ নিতে যাবে না’। ঝালকাঠির আশিকুর রহমান জুবায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে তরুণ এই ফ্রি স্টাইলার বলেন, জুবায়ের রেকর্ডটি করেছিলেন ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর। কিন্তু তার রেকর্ড এক মাসের মধ্যেই আমি ভেঙে ফেলি। আমি রেকর্ড করি ২১ ডিসেম্বর। সে স্বীকৃতিপত্র এখন হাতে পেয়েছে। যেটা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে। কিন্তু রেকর্ডটি আসলে তার দখলে নেই।

ফয়সাল জানান, বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশের পর সামাজিকভাবে বিব্রত হয়েছেন তিনি। এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে স্পন্সারের ওপরও। কারন বিতর্কিত কোন বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে না কোম্পানীগুলো। ফলে এসব বিষয়ে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব -২০১৯- ২০২০ মাগুরার খবর.    কারিগরি ব্যবস্থাপনায় - মাগুরা আইটি সল্যুশন 

কারিগরি সহায়তায়ঃ আইটি বাজার
error: মাগুরার খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত