1. [email protected] : editor :
  2. [email protected] : foysal parveg : foysal parveg
  3. [email protected] : shakil007 :
মহম্মদপুর আ’লীগ সম্পাদক লিটনের নামে আরও একটি চাঁদাবাজির মামলা - মাগুরার খবর
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

মহম্মদপুর আ’লীগ সম্পাদক লিটনের নামে আরও একটি চাঁদাবাজির মামলা

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
মাগুরা মহম্মদপুর নেতা
মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা সিদ্দিকী লিটন। ছবি-সংগৃহীত

মাগুরার খবর ডটকম

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নহাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা সিদ্দিকি লিটনের নামে আরও একটি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার এই আওয়ামী লীগ নেতাসহ মোট ১১ জনকে আসামী করে মাগুরার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন নহাটা ইউনিয়নের পানিঘাটা গ্রামের মোঃ সাহেব মল্লিক। গত এক মাসে মোস্তফা সিদ্দিকি লিটন ও তার অনুসারীদের নামে এ নিয়ে চারটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হল।

মঙ্গলবার হওয়া মামলায় অন্য আসামীরা হলেন  আক্কাস মোল্লা, ওবায়দুর রহমান মোল্লা, ইমদাদুল হক ক্যাপ্টেন, মিটুল মোল্লা, হেদায়েতুল্লাহ, মিজানুর রহমান, ইমরান, রজব আলী, পাখি মিয়া ও তুরফান শিকদার। তাদের সবার বাড়ি নহাটার পানিঘাটা গ্রামে।

মামলার বাদি মোঃ সাহেব মল্লিকের অভিযোগ, আসামী পক্ষ তাদের সামাজিক দলগতভাবে প্রতিপক্ষ। এর জের ধরে গত দুই জুন বাদির কাছে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে মোস্তফা সিদ্দিকি লিটন ও তার সহযোগীরা। বাদি সাহেব মোল্লার অভিযোগ, চাপের মুখে সেদিন নগদ ৫০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন তিনি। এমনকি কথিত চাঁদার বাকি টাকা নে দেওয়ায় পরদিন তার ওপর হামলা চালায় আসামীরা।

গত ২০ জুলাই মোস্তফা সিদ্দিকি লিটনের নামে মহম্মদপুর থানায় প্রথম চাঁদাবাজির মামলাটি করেন নহাটা ইউনিয়নে ধর্ষণের শিকার এক স্কুল ছাত্রীর বাবা। ওই ব্যাক্তির অভিযোগ ছিল, মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে তার পরিবারকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা কথিত জরিমানা করেন ওই আওয়ামী লীগ নেতা ও তার লোকজন।

এরপর ওই আওয়ামী লীগ নেতার নামে মহম্মদপুর থানায় ও আদালতে আরও তিনটি চাঁদাবাজির মামলা করেন ওই এলাকার ভুক্তভোগীরা। কিন্তু পরবর্তীতে হওয়া চাঁদাবাজির মামলা গুলোর প্রতিটি দুই মাস থেকে এক বছরের বেশি সময় আগের ঘটনা। তাই প্রশ্ন উঠেছে ঘটনার এতদিন পরে কেন মামলা। এমন প্রশ্নের জবাবে একটি মামলার বাদি নহাটা ইউনিয়নের সাবেক সদস্য বাবর আলী বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর কাছে হেরে যান মোস্তফা সিদ্দিকি লিটন। কিন্তু গত বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তার পক্ষে নির্বাচন না করায় আমিসহ বহু মানুষকে চাঁদা দেওয়ার পাশাপাশি ঘর ছাড়া হতে হয়। পানিঘাটাসহ আশেপাশের তিন গ্রামে এমন পরিবার পাওয়া যাবে না যারা লিটনের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়নি। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাইনি। কিন্তু ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী ওই পরিবার মামলা করার পর সবাই একে একে মুখ খুলছে’।

মোস্তফা সিদ্দিকি লিটন পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মহম্মদপুর থানার (ওসি) তারক বিশ্বাস জানান, মোস্তফা সিদ্দিকি লিটনের নামে থানায় দুটি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। এছাড়া আদালত থেকে আরও একটি চাঁদাবাজির মামলার তদন্ত এসেছে। গত মাসের ওই ঘটনার পর থেকে আসামীদের এলাকায় দেখা যাচ্ছেনা। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব -২০১৯- ২০২০ মাগুরার খবর.    কারিগরি ব্যবস্থাপনায় - মাগুরা আইটি সল্যুশন 

কারিগরি সহায়তায়ঃ আইটি বাজার
error: মাগুরার খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত