1. [email protected] : editor :
  2. [email protected] : foysal parveg : foysal parveg
  3. [email protected] : shakil007 :
ছয় মণ খুচরা পয়সা নিয়ে মহম্মদপুরের খাইরুল - মাগুরার খবর
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

ছয় মণ খুচরা পয়সা নিয়ে মহম্মদপুরের খাইরুল

মাগুরার খবর ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির (৪৫) প্রায় ছয় মণ ওজনের ৬০ হাজার টাকার ধাতব মুদ্রা (কয়েন) নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহম্মদপুর সদরে গত ২৫ বছর ধরে সবজির ব্যবসা করেন খাইরুল ইসলাম খবির।
গত ১০ বছরে ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া ২৫-৫০ পয়সা থেকে শুরু করে ১-২ টাকার কয়েন জমে এখন প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তিনি ক্রেতার কাছ থেকে মুদ্রাগুলো নিলেও তার কাছ থেকে এখন আর কেউ নিচ্ছেন না। ফলে অচল হয়ে যাওয়া যাওয়া বিভিন্ন অঙ্কের এই ৬ মণ ওজনের মুদ্রা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি।
সবজি ব্যবসায়ী খাইরুলের বাড়ি উপজেলা সদরের জাঙ্গালিয়া গ্রামে।
আমি মুখের উপর তাদের না বলতে পারিনি। তাদের ফিরিয়ে দিতে পারিনি। অনেক জায়গায় ঘুরেও কয়েনগুলো চালাতে পারিনি। কোনো ব্যাংকও এই বিপুল পয়সা আর নিতে চায় না।
এখন খাইরুলের ছোট্ট বসত ঘরে প্লাস্টিকের বড় চারটি বালতি আর দুই বস্তা বোঝাই শুধু কয়েন আর আর কয়েন। একসময় কয়েনগুলো বাজারে রাখলেও এখন বাড়িতে এনে রেখেছেন।

আক্ষেপ করে খবির বলেন, ব্যবসার পুঁজির তিনের দুই ভাগই এখন কয়েনের মধ্যে আটকে আছে। দুই ছেলে-মেয়ে স্ত্রীসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে কষ্টে আছি। যদি এই কয়েনগুলোর বিনিময় মূল্য দিতো তাহলে আমার অনেক উপকার হতো।

মহম্মদপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন মোল্যা বলেন, খবিরের কয়েন নিয়ে বিপাকে থাকার বিষয়টি আমরা জানি। লেনদেনে ধাতব মুদ্রার ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে। তারপরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

মাগুরা সোনালী ব্যাংকের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার  রশিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনবেন। সূত্র বাংলা নিউজ

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
error: মাগুরার খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
© সর্বস্বত্ব -২০১৯- ২০২০ মাগুরার খবর.    কারিগরি ব্যবস্থাপনায় - মাগুরা আইটি সল্যুশন 

কারিগরি সহায়তায়ঃ আইটি বাজার
error: মাগুরার খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত